এইচ এম এরশাদের শাসনকাল

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয়ঃ এইচ এম এরশাদের শাসনকাল। যা বাংলাদেশের উপন্যাসে নৈতিক বিবেচনার বাংলাদেশের উপন্যাসের অর্থনৈতিক সামাজিক রাষ্ট্রিক পটভূমি ও নৈতিক বাস্তবতা ১৯৭২-৯২ এর অন্তর্গত।

 

এইচ এম এরশাদের শাসনকাল

 

এইচ এম এরশাদের শাসনকাল

জেনারেল জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর দেশ এক অতিসংকট ও সাংবিধানিক ক্রান্তিকালের ভিতর নিক্ষিপ্ত হয়। এমতাবস্থায় ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ জারি করা এক ঘোষণায় সেনাবাহিনী প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এইচ এম এরশাদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সর্বময়ক্ষমতা গ্রহণ এবং প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসাবে সমগ্র বাংলাদেশে সামরিক আইন জারি করেন।

একই সঙ্গে জেনারেল এরশাদ সশস্ত্র বাহিনীসমূহের নিয়ন্ত্রণ ভারও গ্রহণ করেন। পূর্ববর্তী সামরিক সরকারের মতই এরশাদও একই কায়দায় সামরিক কর্তৃত্ব বজায় রেখে রাষ্ট্র পরিচালনায় হাত দেন।

অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তার রাষ্ট্রপতির পদ পূরণের জন্য ২১ সেপ্টেম্বর ১৯৮১ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন। ক্ষমতাশীন জাতীয়তাবাদী দল অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পান করলেন। কিন্তু সংবিধানের ৫০ ও ৬৬ (২) অনুচ্ছেদের বিধানমতে রাষ্ট্রের লাভজনক পদে আসীন কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেননা।

৬৬ নং অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী, উপ-প্রধানমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর পদসমূহ লাভজনক নয় বলে উল্লেখ ছিল। কিন্তু রাষ্ট্রপতি ও উপ-রাষ্ট্রপতির পদ লাভজনক কিনা সে সম্পর্কে কোন বিধান ছিল না। যার কারণে উপ-রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তারের রাষ্ট্রপতি প্রার্থীতার বৈধতার প্রশ্ন দেখা দেয়।

উপ-রাষ্ট্রপতির এই অযোগ্যতা দূর করার জন্য বি.এন.পি সরকার ১৯৮১ সালের ১ জুলাই ৬ষ্ঠ সংশোধনী বিল উত্থাপন করে। ৮ জুলাই তারিখে সংশোধনীটি পাশ হয়।২ এবং ১৯৮১ সালের ৯ জুলাই বাংলাদেশ সংবিধানের ৬ষ্ঠ সংশোধনীরূপে বিধিবদ্ধ হয় । ৩

এক্ষেত্রে সামরিক বাহিনীর স্টাফ প্রধান মেজর জেনারেল এইচ এম এরশাদ সাত্তার সরকারের প্রতি সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেন। যে সময়ে বাংলাদেশের জনগণ নির্বাচন পদ্ধতিতে সাংবিধানিক সংশোধন চাচ্ছে, গণতন্ত্র চাচ্ছে সে সময় সামরিক বাহিনী স্বৈরতান্ত্রিক পদ্ধতি, গণতন্ত্রবিরোধী কার্যক্রম চালাতে শুরু করে। সংবিধানের ষষ্ঠ সংশোধনীর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ, কমিউনিস্ট পার্টি প্রভৃতি এই ষষ্ঠ সংশোধনী বিলের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

 

এইচ এম এরশাদের শাসনকাল

 

১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হলে ১০০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি শূন্যপদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায় এটা ছিলো প্রহসনমূলক। ১৯৮২ সালে ১৪ জানুয়ারি ১১ জানুয়ারি বি.বি.সি’র সাথে রাষ্ট্রপতি সাত্তার একটি সাক্ষাৎকার দেন।

১১ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে দশটায় তিনি জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন এবং ব্যাপক দুর্নীতির দায়ে মন্ত্রী পরিষদ বাতিল বলে ঘোষণা দেন। এমন অবস্থায় ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সেনাবাহিনী প্রধান লেফটেন্যানট জেনারেল এইচ. এম. এরশাদ সমগ্র বাংলাদেশে সামরিক আইন জারি করেন এবং সশস্ত্রবাহিনীসমূহের নিয়ন্ত্রণভার গ্রহণ করেন।

জেনারেল এরশাদের সামরিক আইন জারির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী দলের কথিত গণতান্ত্রিক শাসনামলের বিলোপ ঘটে। জেনারেল এরশাদ ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ বি.এন.পি সরকারের সমালোচনা করে জাতির উদ্দেশ্যে বেতার ও টিভি ভাষণে সামরিক শাসন জারির কারণ দর্শান। দেশে পুনরায় গণতন্ত্র হত্যা করে সামরিক সরকার আসাতে গণতন্ত্র দূরীভূত হল।

একদলীয় শাসনব্যবস্থা অপসারিত করে গণতন্ত্র বহাল রাখার জন্য দেশ স্বাধীন হয়েছিল। কিন্তু একদলীয় শাসন ব্যবস্থাই কায়েম হয়ে যায় বার বার। বাংলাদেশে বেশ কয়েকবার সামরিক অভ্যুত্থান ঘটেছে। সামরিক হস্তক্ষেপের সাধারণ কারণগুলো স্বাধীন ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার খাতিরে বিশেষ শ্রেণীর স্বার্থ, ক্ষমতার অপব্যবহার, রাজনৈতিক স্থিতিহীনতা, আইন শৃঙ্খলার অবনতি, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, দলীয় কোন্দল, প্রশাসনিক অচলাবস্থা প্রভৃতি বাংলাদেশে সামরিক হস্তক্ষেপের অনুষঙ্গী কারণ। ৫

তাই ১৯৮২ সনে পুনরায় সামরিক অভুত্থানের প্রয়োজন হয়েছে। জেনারেল এরশাদ ১৯৮২ সালের ১১ এপ্রিল দেশচালনার পাঁচদফা কর্মসূচী দেন। এই পাঁচ দফা কর্মসূচীকে বিস্তৃত করে তিনি কয়েকটি করে কাট গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই এরশাদ তাঁর সামরিকী ব্যবস্থাকে বেসামরিকী পদ্ধতিতে বৈধকরার চিন্তা ভাবনা করেন। গণভোট, উপজেলা নির্বাচন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, দলগঠন প্রক্রিয়া প্রভৃতি ছিল বেসামরিকীকরণের পদক্ষেপসমূহ। এছাড়াও এরশাদ ক্ষমতা গ্রহণ করার সাথে সাথে বাধ্যতামূলক আরবি ও ইংরেজি শিক্ষা চালু করেন।

নানা ধরণের দুর্নীতির জন্য আমলা, মন্ত্রীবর্গকে অভিযুক্ত করে শাস্তিদানের ব্যবস্থা নেন। বাংলাদেশকে ইসলামী রাষ্ট্রে পরিণত করার প্রয়োজনীয় আইন সংস্কার করেন। শহীদ মিনার পরিবর্ধনের অঙ্গীকার, ‘থানার’ পরিবর্তে ‘উপজেলা’ নামকরণ করেন। ১৯৮৫ সালে সামরিক আইন খুব কড়াকড়ি হয়ে যায়। তিনি সিদ্ধান্ত নেন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকসহ বহু সরকারি প্রতিষ্ঠানকে বিরাষ্ট্রীয়করণ করবেন।

এতে শ্রমিক আন্দোলন ঘনীভূত হয়ে উঠে। এরই মধ্যে ১৯৮৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর তারিখে ১ জানুয়ারি ৮৬ থেকে প্রকাশ্য রাজনৈতিক তৎপরতা ও নির্বাচনের ঘোষণা দেন। এরশাদ সরকার ১৯৮৭ সালে ২৪ মার্চ পাঁচ বছর পূর্তি করেন। এরশাদ ‘স্থানীয় সরকার বিল-১৯৮৭ ১২ জুলাই মাত্র চার মিনিটে পাস করালে বিরোধীদল ও জোটসমূহের সরকার বিরোধী আন্দোলন সুতীব্র গতিবেগ লাভ করে।

বিরোধীদলসমূহ ১৯৮৭ সালে ১০ নভেম্বরে ঢাকা অবরোধ কর্মসূচী এবং ছয় দিন লাগাতার হরতাল পালনের আহ্বান জানান। এরপর থেকে ৮ দল, ৭ দল, ৫ দল, জামায়াতে ইসলামী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবীরা তাঁদের প্রতিবাদ জানান। ৮ দল ও ৭ দলের দাবি হয় নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ নির্বাচন।

এরশাদ ১৯৭২ সালের সংবিধানের উপর ভিত্তি করে অষ্টম সংশোধনী বিল আনয়ন করেন ১৯৮৮ সালের ৭ জুলাই। তাঁর মতে দেশের শতকরা ৯০ জন লোক আজন্ম ইসলাম দ্বারা পরিচালিত। পৃথিবীর অনেক দেশের সংবিধানে যেহেতু রাষ্ট্রীয় ধর্মের বিধান রয়েছে সেহেতু এরশাদ সরকার পবিত্র ইসলাম স্বার্থে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করেন।

সমস্ত দেশবাসী এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেন। কিন্তু সেই রাষ্ট্রধর্ম এখনও বহাল রয়েছে। সে যাই হোক, ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত এরশাদের রাজনীতি হয়ে উঠে স্বৈরশাসকের প্রতিমূর্তি । সামরিক শাসক এরশাদ ১৯৮৯ এর মাঝামাঝি সময়ে নবম সংশোধনী বিল আনয়নকে ‘সময়োচিত’ বলে উল্লেখ করে বলেন, কোন মহলের চাপের কাছে নতি স্বীকার করে এ বিল উত্থাপন করা হয়নি।

১৯৮৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর অষ্টম সংশোধনী বিল বাতিল হয়ে যায়। তাতে দেশে সরগরম অবস্থা বিরাজ করতে থাকে। বিভিন্ন জোটের রাজনৈতিক তৎপরতায় এ সময় দেশের অবস্থা চরম আকার ধারণ করতে থাকে।

১৯৯০ সালের ১০ জুন বাংলাদেশের চতুর্থ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে সংবিধানে দশম সংশোধনী বিল উত্থাপন করা হয়। এ সময় থেকে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ হয়ে যায়। বিরোধীদল ২৭ অক্টোবর সড়ক, রেলপথ অবরোধ কর্মসূচী গ্রহণ করে। ২৭ নভেম্বর জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। ২১ নভেম্বর থেকে এরশাদ পতন কর্মসূচী অব্যাহত থাকে।

 

এইচ এম এরশাদের শাসনকাল

 

অবশেষে ১৯৯০ সালের ৪ ডিসেম্বর এরশাদ অকস্মাৎ (রাত সাড়ে নয়টায়) টিভিতে ঘোষণা করলেন, তিনি অনতিবিলম্বে জনসাধারণের দাবি অনুযায়ী স্বাধীন নির্বাচন করতে সম্মত আছেন। নির্বাচন ১৬ ডিসেম্বরের পরে। ততদিন পর্যন্ত অভ্যন্তরীন জরুরি অবস্থা বহাল থাকবে। ১৬ ডিসেম্বর তিনি পদত্যাগ করবেন।

এরশাদ ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ জনগণের চাপে তিন জোট মনোনীত প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। তিনি অন্তর্বর্তীকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসাবে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি রূপে শপথ নেন। এটা ছিল অনেকটা বিপ্লবতুল্য। অনেকের মতে ১৯৭১ সালে প্রথম বিপ্লব সংগঠিত হওয়ার পর এটা ছিল দ্বিতীয় বিপ্লব।

১৯৯০ এ জেনারেল এরশাদের পদত্যাগ বাংলাদেশে এক বিরল ও অনন্য সাধারণ ঘটনা। তৃতীয় ও চতুর্থ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল এরশাদের আমলে। তৃতীয় জাতীয় সংসদ দেড় বছরেরও কম সময় টিকে থাকে। চতুর্থ জাতীয় সংসদ গঠিত হয় ১৯৮৮ সালের ২৫ এপ্রিল। ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর রাজনৈতিক দল ও জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অভ্যুত্থানের মুখে এরশাদ পদত্যাগ করতে বাধ্য হন এবং চতুর্থ জাতীয় সংসদ ভেঙে যায়।

এরশাদ সরকার ৪র্থ জাতীয় সংসদ ভাঙতে পেরেছেন পঞ্চম জাতীয় সংসদটি ভাঙেন নি। তিনি অন্যায়কারীদের এই সার্বভৌম স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে পুনর্বাসিত করেছেন। ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বৈধতার স্বীকৃতি দিয়েছেন। তিনি স্বৈরাচারী শাসক নামে পরিচিতি লাভ করেছেন। তাঁর সামরিক কায়দাকে বিভিন্ন সংশোধনী ও বিলের মধ্য দিয়ে অক্ষুন্ন রাখতে চেষ্টা করেছেন, কিন্তু চিরস্থায়ী হতে পারেন নি। গণতন্ত্রকামী স্বাধীনচেতা বাঙালির ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের কাছে তাকে হার মানতে হয় । ১০

দীর্ঘ নয় বছরের সামরিক শাসন বাঙালির জাতীয় জীবনে নিয়ে আসল আরও পরাজয় ক্লিষ্টতা। একালে রচিত উপন্যাসের কাহিনীও সেই সময়ের ক্রমাগত ব্যর্থতা, নৈরাশ্য ও হতাশা থেকে মুক্তির অন্বেষায় পরিকল্পিত। আমাদের এ সময়ের উপন্যাসে দেখা গেল ক্ষমতা দখলে অপশক্তি প্রয়োগের দৃষ্টান্ত।

ঔপন্যাসিকগণ আঞ্চলিকতার ঐতিহ্যে আনলেন চেয়ারম্যান, মাতব্বর, মেম্বারদের প্রতাপ ও প্রভাব। এছাড়াও অসংখ্য সমস্যার সম্মুখীন জনসাধারণের দুর্ভোগ তাদের পরাভব চেতনার কাহিনী এবং তৎত্তানিত গণঅভ্যুত্থান, আন্দোলন, প্রতিরোধ, প্রতিবাদের কাহিনী তাদের উপন্যাস কাঠামোয় সংঘবদ্ধ হয়েছে।

নাগরিক মধ্যবিত্ত জীবনে স্বপ্নভঙ্গ, অন্তর্বাস্তবতা, পলায়নপরতা ও আত্মকুণ্ডলায়ন অবরুদ্ধ সময় সমাজকে অবলম্বন করে ঘিরে রাখে। রাষ্ট্রীয় সমাজ পরিমণ্ডলে রাজনৈতিক ভিত্তিতে ধর্মের অপপ্রচার ধর্মীয় ভিত্তিতে রাজনীতির অপব্যবহার ঔপন্যাসিক অভিজ্ঞানে উঠে এসেছে।

 

এইচ এম এরশাদের শাসনকাল

 

এ সময়ের উপন্যাসসমূহ-

  • আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘চিলে কোঠার সেপাই’ (১৯৮৬);
  • শামসুর রহমানের ‘অক্টোপাশ’ (১৯৮৩), ‘নিয়তমন্তাজ’ (১৯৮৫), ‘অদ্ভুত আঁধার এক’ (১৯৮৫);
  • সেলিনা হোসেনের “পদশব্দ’ (১৯৮৩), ‘নীল ময়ূরের যৌবন’ (১৯৮৩), ‘চাঁদবেনে’ (১৯৮৪), ‘নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি (১৯৮৭);
  • সৈয়দ শামসুল হকের ‘আয়না বিবির পালা’ (১৯৮২), ‘পরান মাষ্টার’ (১৯৮২), ‘দ্বিতীয় দিনের কাহিনী’ (১৯৮৪), ‘অন্তর্গত’ (১৯৮৪), ‘স্তব্ধতার অনুবাদ’ (১৯৮৫);
  • শহীদ আখন্দের ‘নরাধম’ (১৯৮৪);
  • রশীদ করীমের মায়ের কাছে যাচ্ছি’ (১৯৮৯);
  • আবদুল মান্নান সৈয়দের ‘অজগর’ (১৯৮২);
  • বশীর আল হেলালের ‘শেষ পান পাত্র’ (১৯৮৬);
  • শওকত আলীর ‘অপেক্ষা’ (১৯৮৫);
  • শওকত ওসমানের ‘পতঙ্গ পিঞ্জর’ (১৯৮৩), ‘আর্তনাদ’ (১৯৮৫);
  • রশীদ হায়দারের এ কোন অরণ্য’ (১৯৮২) ‘নষ্ট জোছনায়’ (১৯৮২), ‘অন্ধ কথামালা’ (১৯৮২);
  • হারুন হাবীবের ‘প্রিয়যোদ্ধা প্রিয়তম’ (১৯৮২),
  • ‘অজয় ভট্টাচার্যের ‘অরণ্যানী’ (১৯৮৩);
  • শামসুদ্দীন আবুল কালামের ‘সমুদ্র বাসর’ (১৯৮৬;
  • আবু ইসহাকের ‘পদ্মার পলিদ্বীপ’ (১৯৮৬);
  • আবু জাফর শামসুদ্দীনের ‘দেয়াল’ (১৯৮৬);
  • রাজিয়া খানের ‘হে মহাজীবন’ (১৯৮৩);
  • আবু বকর সিদ্দিকের ‘জলরাক্ষস’ (১৯৮১), ‘খরদাহ’ (১৯৮৪);
  • আহমদ ছফার ‘ওঙ্কার’ (১৯৮২);
  • রিজিয়া রহমানের ‘একাল চিরকাল’ (১৯৮৪), ‘একটি ফুলের জন্য’ (১৯৮৬);
  • হরিপদ দত্তের ‘ঈশানে অগ্নিদাহ’ (১৯৮৬), অন্ধকূপে জন্মোৎসব (১৯৮৭);
  • হুমায়ুন আহমেদের ‘তোমাদের জন্য ভালবাসা’ (১৯৮৩), ‘ফেরা’ (১৯৮৪);
  • দিলারা হাশেমের ‘নায়ক’ (১৯৮৩), ‘দিন যায় রাত আসে’ (১৯৮৩), ‘অশ্বত্থ থামা হত ইতিগজ’ (১৯৮৩);
  • রাবেয়া খাতুনের ‘বায়ান্ন গলির একগলি’ (১৯৮৪) ইত্যাদি।
  • মিরজা আবদুল হাই এর ‘তোমার পতাকা’ (১৯৮৪) ইত্যাদি ।

Leave a Comment