সৈয়দ শামসুল হকের রাজনীতি আশ্রিত কাব্যনাটক

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয়ঃ সৈয়দ শামসুল হকের রাজনীতি আশ্রিত কাব্যনাটক । যা সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্যের অন্তর্গত।

 

সৈয়দ শামসুল হকের রাজনীতি আশ্রিত কাব্যনাটক

 

সৈয়দ শামসুল হকের রাজনীতি আশ্রিত কাব্যনাটক

সৈয়দ শামসুল হক নাট্যকার হিসেবে সফলতা পেয়েছেন। বিবিসি বাংলায় নাটকে কাজ করার মাধ্যমে তিনি নাট্যকার হিসেবে পরিচিতি পান। তার পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি কাব্য নাটক। তার পরের নাটক নুরুলদীনের সারাজীবন ফকির বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত। সৈয়দ হক তার রচনায় সমসাময়িক বাংলাদেশ এবং মধ্যবিত্ত সমাজের আবেগ-অনুভূতি ও ভালো-মন্দ দিকগুলো তুলে ধরেন। তার অন্যান্য নাটক নারীগণ, যুদ্ধ এবং যোদ্ধা, ঈর্ষা, এখানে এখন-এ সমকালীন বাস্তবতা ফুটে ওঠেছে।

সৈয়দ শামসুল হক অত্যন্ত রাজনীতি-সচেতন লেখক ছিলেন। তিনি সরাসরি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। তবে তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ আমৃত্যু একরৈখিক ছিল এবং মতপ্রকাশে তিনি ছিলেন বলিষ্ঠ ও নির্ভীক।

 

সৈয়দ শামসুল হকের রাজনীতি আশ্রিত কাব্যনাটক

 

সৈয়দ হক বাংলাদেশের সূচনালগ্ন থেকে স্বাধীনতার পক্ষে, প্রগতির পক্ষে কলম ধরেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল – বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতি তাঁর ছিল অকুণ্ঠ সমর্থন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতি ছিল অপরিসীম দরদ। এমনকি পঁচাত্তরোত্তর সামরিক-শাসিত অবরুদ্ধ পরিস্থিতিতেও তিনি তাঁর লেখনীর মাধ্যমে এ সমর্থন অব্যাহত রেখেছিলেন।

বিশেষত, পনেরো আগস্ট কালরাতে বঙ্গবন্ধুর সপরিবারে নিহত হবার ঘটনা তাঁর মনে এতটাই দাগ কেটেছিল যে – তিনি প্রায় তাঁর প্রত্যেকটি কাব্যনাটকেই গভীর মমত্বের সঙ্গে এ প্রসঙ্গটির উত্থাপন করেছেন। তিনি একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির সঙ্গে যুক্ত থেকে এদেশের বুকে চেপে থাকা মৌলবাদ, জঙ্গিবাদ ও দেশবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে যেমন প্রত্যক্ষ লড়াই করেছেন, তেমনি তাঁর লেখনীর মাধ্যমেও পরোক্ষ যুদ্ধ অব্যাহত রেখেছেন।

 

সৈয়দ শামসুল হকের রাজনীতি আশ্রিত কাব্যনাটক

 

সৈয়দ হক বাংলাদেশের সমকালীন রাজনীতি-প্রসঙ্গকে প্রধান অবলম্বন করে তিনটি নাটক রচনা করেছেন। এগুলো হলো গণনায়ক, মরা ময়ূর  এবং উত্তরবংশ।

নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো :

  • গণনায়ক কাব্যনাটক
  • মরা ময়ূর
  •  উত্তরবংশ কাব্যনাটক

Leave a Comment