সামাজিক হালচাল

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয়ঃ সামাজিক হালচাল। যা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাঁচটি উপন্যাসে জীবন ও সমাজ এর মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস সমাজ এর অন্তর্গত।

 

সামাজিক হালচাল

 

সামাজিক হালচাল

সদানন্দ সাধু নারী ও পুরুষের পার্থক্য স্বীকার করে, কিন্তু তাদের পৃথক রাখার প্রয়োজন স্বীকার করে না। তাই আশ্রমে নারী ও পুরুষের আলাদা বসার ব্যবস্থা নেই:

“এই সভায় যারা বসে তাদের মধ্যে যেমন ছোট-বড়ো নাই, জানা-অজানা নাই, আপন-পর নাই, তেমনই মেয়ে পুরুষও নাই।” (৩খ, পৃ. ২৭৮)

সাধুজি তাই নির্দেশ দিয়েছেন। তবু মেয়েরা দল বেধে একপাশে তফাতে সরে বসে এ ব্যবধানটা খোচাবার চেষ্টাও কেউ করে না। সমাজের রীতি-ই এইটি ।

নারী ও পুরুষের সামাজিক ব্যবধানের বিষয়টি সকল সমাজ ব্যবস্থায়ই স্বীকৃত। ‘চতুষ্কোণে’ কালী রাজকুমারকে বলেঃ

“আপনার শুধু মেয়ে বন্ধু, গণ্ডা গণ্ডা মেয়ে বন্ধু। বেটাছেলের অত মেয়েবন্ধু থাকতে নেই।” ( ৪খ, পৃ.-৫২)

‘শহরতলী’ উপন্যাসে যশোদা ধনঞ্জয়ের সেবাযত্ন করলে তা নিয়ে সমাজে কথা ওঠে। আবার, সুবর্ণ নন্দর কাছে আসলে যশাদা তা পছন্দ করে না।

সমাজে প্রতিবেশী একটি সাধারণ বিষয়। শ্যামার ক্ষেত্রে দেখা যায় প্রতিবেশীদের সঙ্গে তার খুব একটা সম্পর্ক নেই। তবু শ্যামার ছেলে হলে প্রতিবেশীরা দেখতে এসেছে। আর যার কখনোই আসার কথা নয়, সেই বিষ্ণুপ্রিয়া গয়না-পদ্মা দাসী সঙ্গে নিয়ে শ্যামাকে দেখতে এসেছিল। বিষ্ণুপ্রিয়া যথার্থ প্রতিবেশীর দায়িত্ব পালন করেছিল কিছুদিন।

শ্যামার ছেলে মারা যাওয়ার পর সে আবার শ্যামাকে দেখতে এসেছিল, বিধানের জন্মের পর উপহার পাঠিয়েছিল, বিধান বড় হলে নিজের গাড়িতে করে শঙ্করের সঙ্গে স্কুলে পাঠিয়েছিল। শ্যামার কপাল ভাঙার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবেশীরাও বদলে যায়। সাহায্য করার পরিবর্তে লোকে তাকে অবজ্ঞা করে।

শঙ্করের সঙ্গে বিধানের স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়, শ্যামা নকুড়বাবুর বাড়িতে গেলে তাকে বসতে বলতে ভুলে যায় বাড়ির লোকেরা, বিষ্ণুপ্রিয়ার বাড়ি গেলে উপরে উঠতে মানা করে বাড়ির ঝি। ‘জীবনের জটিলতায় প্রমীলাদের প্রতিবেশী শান্তা। প্রতিবেশী বলেই বিমলের সঙ্গে শাস্তার প্রতিদিন দেখা হতো, তাদের মধ্যে প্রেমের জন্ম হয়, অধর সেই প্রেম বুঝতে পারে, শান্তার প্রতি অন্যায়টাও বিমল জানতে পারে, সর্বোপরি প্রতিবেশী হওয়ার কারণেই ‘জীবনের জটিলতায় কাহিনী এগিয়ে গেছে।

 

সামাজিক হালচাল

 

আবার শুধু প্রতিবেশীর দাবিতেই শান্তার শেষ কাজ করতে প্রমীলার ডাক পরে। ‘শহরতলী’তে প্রতিবেশীদের গুরুত্ব রয়েছে। জ্যোতিময় যশোদার প্রতিবেশী, তাই তার বাড়ি অনুষ্ঠান হলে যশোদার নিমন্ত্রণ হয়। যশোদাকে অপরাজিতা ডেকে নিজের অসুখের কথা বলে, প্রতিবেশীর দাবিতেই যশোদাও জ্যোতির্ময়কে অপরাজিতার অসুখের কথা বলতে পারে। আবার সুবর্ণ নন্দর কাছে ছুটে আসতে পারে কাছাকাছি বাড়ি হওয়ার কারণেই।

সত্যপ্রিয়র বাড়ি নন্দর কীর্তন শুনে সুবর্ণ রাতে ঘুমোতে পারে না, নির্ঘুম রাত কাটানোর পর তার গায়ে জ্বর এসে যায়। নন্দর কীর্তন শুনে তার কেমন লাগছিল তা নন্দকে জানানোর জন্য সুবর্ণ ছটফট করে। সে তার ভাবময়তা ধরে রাখতে পারে না। অসময়ে নন্দর কাছে ছুটে আসে:

“উত্তেজনা সে যেন চাপিয়া রাখিতে পারিতেছে না, চোখেমুখে ফুটিয়া বাহির হইতেছে। যশোদা যে ঘরের অন্যদিকে চৌকিতে বসিয়া জামা সেলাই করিতেছিল, তার চোখে পড়িয়াছে কি না সন্দেহ। একটা ঘরে ঢুকিয়া সেই ঘরেই যশোদার মতো একটি মানুষকে চোখে না পড়ার মতো অবস্থা, আবেগ একটু বেশি রকম উপলাইয়া না উঠিলে হওয়া সম্ভব নয়।” (তখ, পৃ. ১৭৯)

জ্যোতিময় সুবর্ণের গালে চড় বসিয়ে দিলেও সুবর্ণ যশোদার বাড়ি ছুটে আসে। যশোদার কাছে সহানুভূতি না পেয়ে সে আরো বিমর্ষ হয়ে পড়ে। অবশেষে তার দেখা হয় নন্দর সঙ্গে নন্দর সহানুভূতিতে সুবৰ্গ বিগলিত হয়ে পড়ে। সুবর্ণ আর নন্দ প্রতিবেশী বলেই এতো তাড়াতাড়ি সুবর্ণ ছুটে আসতে পেরেছে

“[… …] উপন্যাস হচ্ছে সেই আধুনিক শিল্প-প্রতিমা যা শুধু সমগ্রতা স্পর্শীই নয়, যেখানে শিল্পিত স্বরগ্রামে প্রকাশিত হয় ঔপন্যাসিকের জীবনবোধ আর তাঁর স্বদেশ, সমাজ ও সমকাল। ”১৪

আমাদের সমাজে মানুষ বয়স অনুযায়ী কাপড় পরে। বয়স বেশি হলে সে আর রঙিন কাপড় পরে না। যদিও যশোদার বয়স মাত্র ত্রিশোত্তীর্ণ, তবু তাকেও এই সমস্যায় পড়তে দেখা যায়। জ্যোতির্ময়ের বউভাতের নিমন্ত্রণে যেতে যশোদা কাপড় পরতে বিড়ম্বনায় পড়ে। বাক্স থেকে রঙিন কাপড় বের করে সে বিড়ম্বনায় পরে যায়। লেখক জানিয়েছেন:
“কোনো বিষয়ে মনস্থির করিতে যশোদার সময় লাগে না, দ্বিধা করিতে হয় না, কোন শাড়িখানা পরিবে ঠিক করিতে গিয়া তার যেন আজ মাথা ঘুরিয়া গেল।” ( তখ, পৃ.-১২৬) তারপর আঁচলের কাছে একটু ছেঁড়া কিন্তু ফিকে রঙের শাড়ি পেয়ে সে সেইটি পরল।

পোশাক-পরিচ্ছদের ব্যাপারে ‘শহরতলী’ দ্বিতীয় খণ্ডে এ রকম পোশাক বিড়ম্বনায় একবার যোগমায়াকে পড়তে দেখা যায়। সত্যপ্রিয়র মেয়ে যোগমায়া। পিতার সঙ্গে রাগ করে স্বামীর সঙ্গে যশোদার বাড়ি ভাড়া নিলে তার মন সব সময় খারাপ থাকে। উচ্চবিত্ত যোগমায়া যশোদার বিষহীন ঘরদোরে অভ্যস্ত হতে পারে না। এখানে বিদ্যুতের আলো জ্বলে না, মনে হয় যোগমায়ার দিকে দেওয়াল সরে সরে আসছে। যোগমায়ার মন ভালো করার জন্য যশোদার বাড়ির সকলে আর কুমুদিনী এবং রাজেন ।

উপন্যাসের এই জায়গায় রাজেনকে লেখক কেদার বলেছেন।] সিনেমায় গেলো। সিনেমায় যাওয়ার সময় ঘটল পোশাক বিড়ম্বনা। যশোদার বেশভূষা নিয়ে প্রথমে হাঙ্গামা বাধলো। সে রকম কাপড় কই, ব্লাউজ কই? সুব্রতা তার শাড়ি- ব্লাউজ ধার দিতে চায় কিন্তু যশোদা তা নেয় না। সুব্রতার ব্লাউজ যশোদার গায়ে ঢুকবে না। আর রঙিন শাড়ি পরার মতো খুকি সে নয়। অবশেষে এটা চওড়া পাড় পরিষ্কার সাদা শাড়ি সে পরে।

 

সামাজিক হালচাল

 

অন্যদিকে যোগমায়া নিজের পরনের জমকালো শাড়ির দিকে তাকিয়ে অসামঞ্জস্য দেখতে পায়। সকলের সাদাসিধে সাজপোশাকের সঙ্গে তার সাজপোশাক একেবারে বেমানান। ঘরে ঢুকে সে কাপড় ছেড়ে বসে পড়লো। ব্যাপার বুঝল যশোদা। প্রথমে সে যোগমায়াকে বললো এই সাজেই যেতে লোকে ভাববে যোগমায়া পাঁচ-সাতজন দাসদাসী নিয়ে বায়োস্কোপে যাচ্ছে। তারপর বললোঃ

“তার চেয়ে এক কাজ কর না? সাদাসিধে একখানা কাপড় পরে চলো, এ কাপড়টা তোলা থাক। আমাদের সঙ্গে একেবারে মিশে যাবে-মনের খুঁতখুঁতানিটা যদি চাপতে পার কোনোরকমে, কী ফুর্তিটা হবে বল তো?” (৩খ, পৃ. ২৬৩) অবশেষে সাদাসিধে একটা কাপড় পরে যোগমায়া তাদের সঙ্গে সিনেমায় গেলো।

‘অহিংসা’ উপন্যাসে সাজপোশাকের উল্লেখ সাবলীলভাবে না থাকলেও মাধবীর বিষয়ে বলা হয়েছে, আশ্রমের নিয়মবিরুদ্ধ হলেও সদানন্দের অনুমতিতে মাধবী হিল তোলা জুতা পরে। আবার বিস্তৃতি মারা যাওয়ার পর মাধবীর শরীরে নতুন পোশাক ওঠে, সে তখন বিধবার বেশ ধরে।

সমাজ জীবনে ধর্ম একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। ধর্মীয় আচার-আচরণ, রীতি-নীতি মেনে সামাজিক রীতি-নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

হিন্দুধর্মের নিয়ম হলো শ্মশানে মড়া নিয়ে দিনে গেলে দিনে ফেরা যাবে না, আর রাতে গেলে রাতে ফেরা যাবে না। তাই শান্তার মরদেহ তাড়াহুড়ো করে দিনেই নিয়ে যায়। শাক্তার শ্রাদ্ধ নিয়ে বিমল অসহিষ্ণু হয়ে ওঠে। সে ধর্মীয় বিধিকে কটাক্ষ করে কথা বলে- তার মতে শরীর পচে যাবে বলেই তাকে পুড়িয়ে ফেলা হয়। শ্রাদ্ধ মানে অমানুষিক কাণ্ড বর্বরতা

“জন্মালে উৎসব নেই, শাঁখটা শুধু একটু বাজে, মরলে সমারোহের সীমা থাকে না।” (২খ, পৃ. ১৫৯ )

‘শহরতলী’ উপন্যাসেও ধর্মীয় বিধির বিষয় আছে। সন্ধ্যায় সন্ধ্যা প্রদীপ জ্বালানো এবং শাঁখ ঘণ্টা বাজানো ধর্মীয় রীতি। যশোদা একদিন এর অন্যথা করে না। হঠাৎ একদিন সময়মতো প্রদীপ জ্বালানো হয়নি বলে সে চিন্তিত হয়।

“তাড়াতাড়ি রান্না শেষ করার ব্যস্ততার সন্ধ্যাদীপ জ্বালিয়া শাঁখে ফুঁ দেওয়া হয় নাই। বলিয়া যশোদার মনটা খুঁত খুঁত করিতে থাকে।” ( ৩২, পৃ.-১২৪)

‘শহরতলী’ উপন্যাসে গঙ্গাস্নানের কথাও বলা হয়েছে। পরেশের বউকে যশোদা আর ধনঞ্জয় বাপের বাড়ি পৌঁছে দিতে গিয়ে গঙ্গার ধারে বসে। সেখানে নারী ও পুরুষ নির্বিশেষে গঙ্গাস্নান করছে। ‘অহিংসা’য় ধর্মীয় বিধিনিষেধ বা রীতিনীতির বিষয়ে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য নিয়ম নেই।

আশ্রম ধর্মীয় অনুভূতিতে গড়ে ওঠে। আশ্রমের সাধু অবতার। অবতার সদানন্দ ঠিক কী কী কথা সর্বসাধারণকে বলছে তা-ও স্পষ্ট নয়। সে প্রেম ও অহিংসার বাণী প্রচার করে, কিন্তু বিস্তারিত কিছু বলা হয় নি।

সমাজ জীবনে উপকারী এবং অপকারী দুই-ই বিদ্যমান। যে উপকার করতে পছন্দ করে, তার কোনো কিছু সম্পর্কে খবর নিতে হয় না, তার কাছে খবর এমনিই আসে। হারাণ ডাক্তার নিঃস্বার্থ উপকারী। শ্যামার বাড়ির ভাড়টে চলে গেলে শ্যামা অর্থ সংকটে পরে। হারাণ ডাক্তার তাই শ্যামাকে প্রতি মাসে বিশ টাকা করে মনিঅর্ডার করে পাঠায়। শ্যামা মনে করে বাড়িতে ভাড়াটে এসেছে হারাণ ডাক্তার সেই টাকা পাঠাচ্ছে।

‘শহরতলী’ উপন্যাসে যশোদা কুলি-মজুরসহ পাড়ার সকলের উপকার করে। অসুখে-বিসুখে টাকা দিয়ে, শ্রম দিয়ে, ভালোবাসা দিয়ে, পথ্য দিয়ে সাহায্য করে। যারা শ্যামার চোখে ভদ্রলোক তাদের বাড়িতেও প্রয়োজনের সময় সে সেবা করতে যায়। আবার কুলি-মজুর যাদের চাকরি থাকে না, তাদের সে চাকরির ব্যবস্থা করে দেয়। এ কাজ করতে তার কোনো পরিকল্পা নেই, কিন্তু তার একটি উপকারি মন আছে

“কার কাজ নাই, কার কাজ চাই, কে কাজের লোক, কে অকেজো, কোথায় কোন কারখানায় কী ধরনের লোক নেওয়া হইতেছে বা হইবে, এ সব খবর ঘরে বসিয়াই এত বেশি পাওয়া যায় যে খাতাপত্রের সাহায্য ছাড়া মনে রাখা অসম্ভব। কিন্তু ও সব হিসাব রাখার বালাই যশোদার নাই, সেটা তার পেশাও নয়। কোনো আদর্শ, উদ্দেশ্য বা স্বার্থসিদ্ধির জন্য সে চেষ্টা করিয়া সংগ্রহ করে নাই, শ্রমিক জগতে আপনা হইতে তার একটা স্থান জুটিয়া গিয়াছে, প্রথমে খুবই সংকীর্ণ ছিল এখন পরিসর বাড়িয়াছে।” ( তখ, পৃ. ১৬২)

যশোদার চাকরি দেওয়ার প্রণালীটিও অভিনব। যদি কোনো কারখানায় লোক নেওয়ার কথা শোনে, তখন তার মনে পড়ে যায় কয়েকজন শ্রমিকের চাকরি নেই তাদের কথা। তাদের হয়তো দুজন একেবারে অপদার্থ, দুজন সুবিধাজনক নয়, তিনজন ভালো। যশোদা আঁকাবাঁকা অক্ষরে তাদের নাম লিখে তিনজনের নামের পাশে গুড়, দুজনের নামের পাশে নট গুড এবং দুজনের নামের পাশে ব্যাড লিখে ম্যানেজারের কাছে মজুরদেরসহ কাগজ পাঠিয়ে দেয়।

ম্যানেজার দেখেশুনে হয়তো পাঁচজনের চাকরি দেয়, যশোদা অন্য দুজনকে আবার অন্য জায়গায় চাকরি দেয়। এভাবে তার উপকার চলে।

 

সামাজিক হালচাল

 

“যাবতীয় সামাজিক সমস্যার প্রতি মনোযোগী মানিক ‘শহরতলী’ তে শহরের বিভিন্ন সমস্যার প্রতিও লক্ষ্য রেখেছেন। তিনি দেখেছেন ‘শহরের জলের দেবতাদের উদাসীনতার জন্য একটা জলের কল বসাবার অনুমতি চেয়ে কত হাঙ্গামা সহ্য করতে হয় এবং কীভাবে আর্থিক অনটনের চাপে পড়ে পিতামাতার স্নেহ লালিত পারিবারিক পরিধি পেরিয়ে জীর্ণশীর্ণ শিশুগুলো দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়েও রাস্তায় সংবাদপত্র বা চানাচুর বিক্রি করে পয়সা রোজগার করে। ১

সমাজে কেউ কারো ভালো দেখতে পারে না। ধনঞ্জয় এসে যশোদার বাড়ি উঠলে সুধীর যশোদাকে ধনঞ্জয় সম্পর্কে বলে- ও কাজ করবে না, ওর কাছে পয়সা-কড়ি নেই, ও শুধু ঘাড় ভেঙে খাবে। এরপর সুধীরকে দেখিয়ে দেয় যশোদা যে সুধীরের নিজেরও টাকা বাকি আছে। সুধীরও যশোদার মাথা ভেঙে খাচ্ছে। শুধু সুধীর নয়, মঞ্জুররা কমবেশি সকলেই যশোদার মাথা ভেঙে খাচ্ছে।

Leave a Comment