সৈয়দ শামসুল হকের সামাজিক কাব্যনাটক

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয়ঃ সৈয়দ শামসুল হকের সামাজিক কাব্যনাটক । যা সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্যের অন্তর্গত।

 

সৈয়দ শামসুল হকের সামাজিক কাব্যনাটক

 

সৈয়দ শামসুল হকের সামাজিক কাব্যনাটক

সৈয়দ শামসুল হক নাট্যকার হিসেবে সফলতা পেয়েছেন। তার পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি কাব্য নাটক। তার পরের নাটক নুরুলদীনের সারাজীবন ফকির বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত। সৈয়দ হক তার রচনায় সমসাময়িক বাংলাদেশ এবং মধ্যবিত্ত সমাজের আবেগ-অনুভূতি ও ভালো-মন্দ দিকগুলো তুলে ধরেন। তার অন্যান্য নাটক নারীগণ, যুদ্ধ এবং যোদ্ধা, ঈর্ষা, এখানে এখন-এ সমকালীন বাস্তবতা ফুটে ওঠেছে।

 

সৈয়দ শামসুল হকের সামাজিক কাব্যনাটক

 

সৈয়দ শামসুল হকের শিল্পকর্মের মধ্যে তাঁর সমাজ অভিজ্ঞান কিংবা সমাজ-অনুধ্যানে নিবিষ্ট আন্তরিকতার প্রতিফলন পাওয়া যায়। তাঁর রচিত কাব্যনাটকগুলোর পরতে পরতে রয়েছে সমকালীন সমাজের গতিচিত্র বস্তুত, একজন সমাজনিষ্ঠ নাগরিকের মতো তিনি সমাজের শেকড় ও উপরিতল – দুটোকেই অনুধাবন করতে পেরেছিলেন। ফলত, একটি সার্বিক সমাজচিত্রের শৈল্পিক ব্যঞ্জনা আমরা তাঁর কাব্যনাট্যে পাই।

সৈয়দ শামসুল হক বলা যায় তাঁর প্রতিটি কাব্যনাটকই সামাজিক ভিত্তি-কাঠামোর উপর নির্মাণ করেছেন। তবে প্রধানত সমাজকে আশ্রয় করে চারটি কাব্যনাটক লিখেছেন। এগুলো হলো : এখানে এখন, ঈর্ষা, চম্পাবতী ও অপেক্ষমাণ।

 

সৈয়দ শামসুল হকের সামাজিক কাব্যনাটক

 

এখানে এখন কাব্যনাট্যের মৌল বিষয় পঁচাত্তরোত্তর সামাজিক বিনষ্টি। অস্থির সময় ও বিপন্ন রাজনীতিকে ব্যবহার করে একদল মানুষ কীভাবে শুভবোধ হারিয়ে কালোশক্তিতে পরিণত হয় – এটিই এখানে তুলে ধরেছেন নাট্যকার। ঈর্ষা নাটক নর-নারীর একান্ত হৃদয়জাত সম্পর্ককে অবলম্বন করে রচিত হলেও সেখানে সমকালীন সমাজ নেপথ্য কারণ হিসেবে গুরূত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

চম্পাবতী কাব্যনাটকটিতে প্রতিফলিত হয়েছে গ্রামীণ কৃষিজীবী সমাজ ও ভাসমান বেদেসমাজের বাস্তবচিত্র। সর্বশেষ অপেক্ষমাণ নাটকে সৈয়দ হক হেনরিক ইবসেনের পাশ্চত্য সমাজের সঙ্গে এদেশের সমাজব্যবস্থার সাযুজ্য নির্মাণ করে দেখিয়েছেন এদের মধ্যে খুববেশি পার্থক্য নেই।

 

সৈয়দ শামসুল হকের সামাজিক কাব্যনাটক

 

নিম্নে এ নাটকগুলো বিস্তারিত আলোচনা করা হলো : –

  • এখানে এখন
  • ঈর্ষা কাব্যনাটক
  • চম্পাবতী কাব্যনাটক
  • অপেক্ষমাণ কাব্যনাটক

Leave a Comment